February 11, 2026
মশা, মাছি, বিছে

বর্ষাকাল এলেই বেড়ে যায় সাপখোপ, পোকামাকড়ের উত্‍পাত। মশা, মাছিদের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে যান বেশিরভাগ জনেই। আবার বর্ষায় ভেজা ভেজা ভাব থাকে মেঝেতেও।ঘর মোছার পরেও শুকনো ভাব আসেন না। সূর্যালোকের তেজের অভাবে এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতার প্রভাবে মেঝেতেও ড‍্যাম্প ধরে যায়। আর্দ্র আবহাওয়ায় অনেকাংশে বেড়ে যায় মশা, মাছির উত্‍পাত।তবে এই দুই সমস‍্যার সমাধান করা যায় খুব সহজ উপায়ে। ঘর পরিষ্কার করার জলে কয়েকটি জিনিস মিশিয়ে ঘর মুছলে আর চিন্তা থাকবে না। মশা, মাছি বা বিছের মতো কোনও পোকামাকড়ই বাড়ির ধারেকাছে থাকবে না

২ থেকে ৩ চামচ ভিনিগার এক বালতি জলে মিশিয়ে নিন। এই জলে ঘর মুছুন। এই জল পোকামাকড় তো দূরে রাখবেই, পাশাপাশি রয়েছে আরও অনেক উপকার। এই ভিনিগার জলে ঘর মুছলে দুর্গন্ধ চলে যাবে এবং ব্যাকটেরিয়াও দূর হবে। এটি বিশেষ করে টাইলস, মার্বেল ফ্লোরিংয়ের জন্যও খুব উপকারী।

সোডা মেশানো জলে ঘর মুছলে চিটচিটে ভাব বা মেঝের ড‍্যাম্প ধরা ভাব চলে যাবে। মেঝে ঝকঝক করবে। দাগ দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতাও নিয়ে আসে। নিয়মিত বেকিং সোডা ব্যবহার করলে মেঝে পরিষ্কার ও সতেজ থাকে। মাত্র ৫ টাকাতেও বাজারে অনেকখানি বেকিং সোডা পাওয়া যাবে।

জলে নুন মিশিয়ে সেই লবনাক্ত জল দিয়েও ঘর মুছতে পারেন। এই জলেরও অনেক উপকারীতা রয়েছে। নুনও একটি খুব ভাল ক্লিনার। এক-দুই চা চামচ জলে মিশিয়ে মুছলে ব্যাকটেরিয়া চলে যায়। রান্নাঘর, বাথরুমের মেঝের জন্য এটি ভাল।

লেবুর রসও মেঝেতে সতেজতা নিয়ে আসে। অর্ধেক লেবুর রস জলে মিশিয়ে মুছলে, পুরো ঘর পরিষ্কার ও উজ্জ্বল মনে হবে। পাশাপাশি দূরে থাকবে পোকামাকড়, মশামাছি। এই উপাদানগুলির যেকোনও একটি জলে মিশিয়ে মপ দিয়ে ভাল করে মুছতে হবে।

তবে জল নষ্ট করার আগে সতর্ক থাকুন। ঘর মোছার জন‍্য যতটা সম্ভব কম জল ব‍্যবহার করা যায় করুন। পরিবেশ বাঁচাতে যা অত‍্যন্ত জরুরি। এই সহজ টিপস্ গুলি কাজে লাগিয়ে ঘর মুছলে মেঝে ভাল থাকার পাশাপাশি মশা, মাছি, পোকামাকড়ও বাড়ি থেকে শতহস্ত দূরে থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *