জল্পনা চলছিল বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই, অবশেষে তা সত্যি হতে চলেছে, নেওয়া হলো সিদ্ধান্ত। চৈত্রের আগমনী লগ্নেই আচমকা নেমে আসা কালবৈশাখীর তাণ্ডব যেন মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ করে দিয়েছিল রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। ঝড়-বৃষ্টির এই দুর্যোগে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবা কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ে।
তবে বিপর্যয়ের সেই গভীর অন্ধকার কাটিয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতিকে অনেকটাই স্বাভাবিক করে তুলতে সক্ষম হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেড—এটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর। কিন্তু পরিকাঠামোগত ক্ষতি সারিয়ে উঠতে নিগমকে বেশ বেগ পেতে হবে আগামী দিনে।
এই পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের সামনে চ্যালেঞ্জ ছিল একদিকে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সামলানো, অন্যদিকে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা পুনরুদ্ধার করা। নিগমের ব্যবস্থাপক অধিকর্তা বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছেন, এবারের এই অকাল দুর্যোগে সংস্থাটি প্রায় ২ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যের আটটি জেলার প্রতিটি সার্কেলেই কমবেশি পরিকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।
