দুর্ধর্ষ পুলিশ অফিসার শিবানী শিবাজী রায়ের ভূমিকায় রানি মুখার্জির প্রত্যাবর্তন বক্স অফিসে একটি স্থিতিশীল কিন্তু ধীরগতির সাফল্য বজায় রেখেছে। ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি, বুধবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘মর্দানি ৩’ ভারতে মোট ৩৯.৮০ কোটি টাকার নেট কালেকশন করেছে, যা ৪০ কোটির মাইলফলক ছোঁয়ার অত্যন্ত সন্নিকটে। মুক্তির ত্রয়োদশ দিনে ছবিটি আনুমানিক ১.১০ কোটি টাকা আয় করেছে। দ্বিতীয় রবিবারে ৪.২৫ কোটি টাকা আয়ের পর সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতে আয়ের এই নিম্নমুখী প্রবণতা স্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে যুদ্ধভিত্তিক মহাকাব্যিক ছবি ‘বর্ডার ২’ এবং সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বধ ২’-এর প্রবল প্রতাপের মুখে মর্দানি ৩-কে বেশ কঠিন প্রতিযোগিতার মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যান্য ছবির সাথে তুলনা করলে দেখা যায় যে, ‘মর্দানি ৩’ ইতিমধ্যেই ২০১৪ সালের মূল ‘মর্দানি’ ছবির ৩৬ কোটি টাকার লাইফটাইম কালেকশনকে ছাড়িয়ে গেছে। তবে ‘মর্দানি ২’-এর ৪৭.৩৫ কোটি টাকার রেকর্ড স্পর্শ করতে ছবিটিকে আরও কিছুটা পথ পাড়ি দিতে হবে। প্রায় ৬০ কোটি টাকার বাজেটে নির্মিত এই ছবিটি এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫৮.৯০ কোটি টাকা আয় করেছে, ফলে এটি এখন লগ্নিকৃত অর্থ তুলে আনার লড়াই চালাচ্ছে। অভিরাজ মিনাওয়ালা পরিচালিত এই ছবিতে ‘আম্মা’ চরিত্রে মল্লিকা প্রসাদের অভিনয় এবং কন্যা শিশু পাচারের মতো অন্ধকার জগতের গল্প ফুটে উঠেছে। রানির অনবদ্য অভিনয় সর্বস্তরে প্রশংসিত হলেও, সমালোচকদের মতে চিত্রনাট্যের কিছুটা অনুমানযোগ্যতা ছবিটিকে আগের পর্বগুলোর মতো বিশাল সাফল্য পেতে বাধা দিয়েছে। তৃতীয় সপ্তাহে ছবিটির আয় ৫০ কোটির গণ্ডি পেরোতে পারবে কি না, তা মূলত আগামী সপ্তাহের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করছে।
