সাবেক প্রধান বিচারপতি ডি.ওয়াই. চন্দ্রচূড় শনিবার বলেন, সংবিধান বা শাসন ব্যবস্থার কোনও অংশই বিচারিক পর্যালোচনা থেকে মুক্ত থাকা উচিত নয়। চেন্নাইয়ে দ্য হিন্দু লিট ফর লাইফ ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার জামিনের মৌলিক নীতি এবং নির্দোষ ধরা হওয়ার অধিকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
উমর খালিদের দীর্ঘদিনের কারাবাস প্রসঙ্গে তিনি জানান, কোনও অভিযুক্তের দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আইন তাকে নির্দোষ হিসেবে ধরে নেয়। যদি কেউ পালানোর বা সাক্ষ্যপ্রমাণ নষ্ট করার ঝুঁকি না রাখে, তবে শুধুমাত্র জাতীয় নিরাপত্তার নাম করে তাকে জেলে রাখা যায় না। আদালতের দায়িত্ব হল এমন দাবি খতিয়ে দেখা এবং ব্যক্তির স্বাধীনতা ও দ্রুত বিচার পাওয়ার অধিকার রক্ষা করা।
তিনি জানান, বছরের পর বছর মামলা শেষ না হওয়া ভারতের বিচারব্যবস্থার বড় সমস্যা। তার সময়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রায় ২১,০০০ জামিন আবেদনের শুনানি করেছে, যার বেশিরভাগেই জামিন দেওয়া হয়েছে।
মতপ্রকাশ ও সোশ্যাল মিডিয়া বিষয়ে তিনি বলেন, অনিয়ন্ত্রিত ঘৃণা যেমন বিপজ্জনক, তেমনি রাষ্ট্রীয় কঠোর নিয়ন্ত্রণও ক্ষতিকর। তাই নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে স্বাধীন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকা উচিত। বিচারপতি চন্দ্রচূড় আরও বলেন, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও সক্রিয় নাগরিক দু’জনেই গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখে।
