নতুন বছরের শুরু। চারিদিকে উৎসবের মেজাজ, ভুরিভোজ। আর বাঙালির ভুরিভোজ মানেই পাতে বিরিয়ানি থাকা চাই-ই চাই। আর সেই বিরিয়ানি যদি মটনের হয় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কিন্তু অনেকেই কোলেস্টেরল, ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে বিরিয়ানি খেতে দু’বার ভাবেন। তবে আর ভাবনা নেই। বিরিয়ানি খেয়েও সুস্থ থাকা সম্ভব।
খাসির মাংসে উচ্চমানের প্রোটিন থাকলেও এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। আর বিরিয়ানির ভাত দ্রুত হজমযোগ্য শর্করা। ফলে এই দুয়ের মিশেল একসঙ্গে খেলে শরীরে এক ধাক্কায় অনেকটা ক্যালোরি ঢোকে আর রক্তে শর্করার মাত্রাও অনেকটা বেড়ে যায়। এর ফলে শরীরে প্রদাহ তৈরি হতে পারে। শরীর ক্লান্ত ও নিস্তেজ লাগতে পারে।
মটন বিরিয়ানি খেয়ে সুস্থ থাকতে হলে সবার আগে খেয়াল রাখতে হবে, কতদিন পর পর তা খাচ্ছেন এবং কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন। একসঙ্গে বেশি পরিমাণে কোনোমতেই খাওয়া চলবে না। প্রোটিনের পরিমাণ বেশি হলেও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমাতে সঙ্গে রাখতে হবে স্যালাড। রাতে বিরিয়ানি খাওয়া চলবে না। সূর্যাস্তের আগেই খাওয়াদাওয়া সেরে ফেলুন।
