ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার জেরে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হলেও ত্রিপুরায় কোনও ঘাটতি নেই—এমনটাই জানাল রাজ্য সরকার। কালোবাজারি ও কৃত্রিম সঙ্কট রুখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ত্রিপুরা সরকার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজ্যের খাদ্য, নাগরিক সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রীসুশান্ত চৌধুরী রাজ্য সচিবালয়ে জরুরি পর্যালোচনা বৈঠক করেন। আগরতলার একাধিক পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন পড়ার পরই এই বৈঠক ডাকা হয়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ইরানে হামলার খবরে সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
মন্ত্রী স্পষ্ট জানান, রাজ্যে পেট্রোল, ডিজেল, এলপিজি সিলিন্ডার ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কোনও জ্বালানি সংকট নেই। তবে যাতে কেউ সুযোগ নিয়ে দাম বাড়াতে না পারে বা কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করতে না পারে, সে জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বাজারে নিয়মিত নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে বলা হয়েছে, কোথাও মজুতদারি বা কালোবাজারির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ নিতে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা এবং বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই গুজবে কান না দিয়ে প্রয়োজন মতো পণ্য কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ত্রিপুরা সরকার আশ্বস্ত করেছে, জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
