June 29, 2026
Screenshot 2026-06-29 193915

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) তাদের আসন্ন ‘তিন-ভাষা নীতি’ (three-language policy) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ছাড় ঘোষণা করেছে; এর আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বর্তমান দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের এই নীতি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০’-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করে বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, দশম শ্রেণীর বর্তমান শিক্ষার্থীরা প্রচলিত ‘দুই-ভাষা কাঠামো’-র অধীনেই তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাবে এবং তাদের তৃতীয় কোনো ভাষা পড়তে বা তার পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে না। এই ছাড়ের পাশাপাশি, CBSE সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্যও এককালীন বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে। বলা হয়েছে যে, যদিও তারা তিনটি ভাষা শেখার প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবে—যার মধ্যে অন্তত দুটি অবশ্যই ভারতীয় ভাষা (ভারতীয় ভাষা বা ‘ভারতীয় ভাষা’) হতে হবে—তবুও দশম শ্রেণীতে পৌঁছানোর পর তৃতীয় ভাষার জন্য তাদের কোনো কেন্দ্রীয় বোর্ড পরীক্ষায় বসতে হবে না। এই মধ্যবর্তী ব্যাচগুলোর ক্ষেত্রে তৃতীয় ভাষার মূল্যায়ন সম্পূর্ণভাবে অভ্যন্তরীণ হবে এবং তা শুধুমাত্র স্কুলের নিজস্ব মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হবে। তিন-ভাষা নীতির পূর্ণাঙ্গ ও অপরিবর্তিত রূপটি কার্যকর হবে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণীর ব্যাচের ক্ষেত্রে; তারাই হবে প্রথম ব্যাচ যাদের ২০৩০ সালে দশম শ্রেণীতে ওঠার পর তৃতীয় ভাষার জন্য আনুষ্ঠানিক CBSE বোর্ড পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এই পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে, ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং’ (NCERT) ইতিমধ্যেই ২২টি তালিকাভুক্ত ভারতীয় ভাষার জন্য বিশেষ পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুত করেছে। CBSE জানিয়েছে যে, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই পদক্ষেপগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ওপর হঠাৎ কোনো শিক্ষাগত চাপ বা অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বোঝা না চাপিয়ে আনন্দদায়ক ও বহুভাষিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা। এছাড়া, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, ভারতে ফিরে আসা বিদেশি নাগরিক এবং দেশের বাইরে অবস্থিত CBSE-স্বীকৃত স্কুলগুলোতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও এই নীতি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *