পরিচালক নন্দিনী রেড্ডি জানিয়েছেন যে, অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু গর্ভাবস্থার শুরুর দিকের শারীরিক অস্বস্তি বা ‘মর্নিং সিকনেস’ সত্ত্বেও প্রাণবন্ত গান “মা ইন্তি বাঙ্গারাম”-এর শুটিং সম্পন্ন করেছিলেন; এর মাধ্যমে সেটে তাঁর পেশাদারিত্ব ও কাজের প্রতি নিষ্ঠার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। রেড্ডির মতে, জমকালো কোরিওগ্রাফি ও উৎসবমুখর দৃশ্যায়নে সাজানো এই গানটির শুটিং ছিল বেশ শ্রমসাধ্য; তা সত্ত্বেও সামান্থা শারীরিক অসুবিধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যান। স্বাস্থ্য ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে শুটিং, নাচের দৃশ্য এবং অত্যন্ত প্রাণবন্ত পরিবেশনা—সবকিছুই তিনি দক্ষতার সাথে সামলেছিলেন। পরিচালক জানান যে, পুরো ইউনিট তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা জানত এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতাও অবলম্বন করেছিল, তবে কোনো বড় ধরনের বিলম্ব ছাড়াই শুটিংয়ের সময়সূচি মেনে কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে সামান্থার দৃঢ় সংকল্পই ছিল মূল চালিকাশক্তি। রেড্ডি তাঁর নিষ্ঠার প্রশংসা করে বলেন যে, পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন সামান্থা ইতিবাচক মনোভাব বজায় রেখেছিলেন এবং নিশ্চিত করেছিলেন যেন পরিবেশনায় গানের কাঙ্ক্ষিত প্রাণশক্তি ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ যথাযথ থাকে। “মা ইন্তি বাঙ্গারাম” গানটি এর দৃশ্যশৈলী এবং শুটিংয়ের নেপথ্যের এই ঘটনার কারণে ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে; পাশাপাশি সামান্থার অদম্য মানসিক শক্তির জন্য ভক্তরা তাঁর প্রতি প্রশংসা জানিয়েছেন। গর্ভাবস্থায় একজন অভিনেত্রীর কাজের ক্ষেত্রে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয় এবং সৃজনশীল মান বজায় রেখেও কীভাবে প্রযোজনা দল তাঁদের সহায়তা করতে পারে—সেই বিষয়েও এই ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও ছবিটির মুক্তির সময়সূচি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি, তবুও পরিচালকের এই মন্তব্যে চলচ্চিত্র ও এর গান নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবং পর্দায় সামান্থার পরিবেশনা দেখার জন্য দর্শকদের অধীর আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে।
