বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভে উত্তাল নয়ডা। পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশের দাবি, রাতারাতি একাধিক হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে শ্রমিকদের সংগঠিত করা হয় এবং কিউআর কোডের মাধ্যমে দ্রুত সেই গ্রুপগুলিতে সদস্য যুক্ত করা হয়।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ‘ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট’ সহ বিভিন্ন নামে বেশ কয়েকটি গ্রুপ খোলা হয়েছিল। সেখানে উস্কানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে বিক্ষোভকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। শুধু শ্রমিকদের মধ্যেই নয়, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের কাছেও দ্রুত বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।
এই বিক্ষোভে ‘বহিরাগত’দের অংশগ্রহণ ছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পর জেলার বাইরে থেকে এবং সীমান্তবর্তী এলাকা হয়ে বহু মানুষ ঢুকে পড়ে এবং শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি ছড়িয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
সোমবারের সংঘর্ষে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবারও সেক্টর ৮০-সহ একাধিক এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। মূলত সেক্টর ৬২ এবং ফেজ ২ থেকে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়ে তা দ্রুত শহরের বিস্তীর্ণ অংশে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ৪৫ হাজার শ্রমিক রাস্তায় নেমে আসায় দিল্লি-নয়ডা সংযোগকারী একাধিক রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
