আবহাওয়ার এক স্বস্তিদায়ক পরিবর্তন দিল্লি-এনসিআর-এর বাসিন্দাদের জন্য উল্লেখযোগ্য স্বস্তি বয়ে এনেছে, কারণ মেঘের ঘন চাদর অবশেষে সেই তীব্র গরমকে পিছু হটিয়েছে যা বেশ কয়েকদিন ধরে জাতীয় রাজধানীকে গ্রাস করে রেখেছিল। ভারত আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন শুষ্ক আবহাওয়ার অবসানের ইঙ্গিত দিয়েছে এবং শহর ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল জুড়ে সক্রিয় বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এই আকস্মিক বায়ুমণ্ডলীয় পরিবর্তনের কারণ হিসেবে একটি পশ্চিমা ঝঞ্ঝার সাথে নিম্ন-স্তরের ঘূর্ণিঝড় সঞ্চালনের মিথস্ক্রিয়াকে দায়ী করা হচ্ছে, যার ফলে সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে তাপমাত্রা ৪০° সেলসিয়াসের অনেক নিচে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুক্রবার সকালে যাত্রীরা বেশ শীতল আবহাওয়ার সম্মুখীন হন, এবং আইএমডি-র আঞ্চলিক কেন্দ্র পূর্বাভাস দিয়েছে যে আর্দ্রতা বৃদ্ধির ফলে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে, যা শুষ্ক রাস্তাগুলোকে আরও শীতল করবে।
রাজধানী জুড়ে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় কৃতজ্ঞতার অনুভূতি থাকলেও, আবহাওয়া দপ্তর একটি হলুদ সতর্কতা জারি করেছে এবং নাগরিকদের সম্ভাব্য বজ্রপাত ও নিচু এলাকায় জল জমে যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছে। এই শীতল প্রভাব মধ্য দিল্লি, নয়ডা এবং গুরুগ্রাম জুড়ে বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা কার্যকরভাবে সেই ‘লু’ বাতাসকে থামিয়ে দেবে, যা সপ্তাহের শুরুতে বাইরের কার্যকলাপকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছিল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে এই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি কেবল শারীরিক আরামই দেবে না, বরং বাতাস থেকে দূষণকারী পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করবে, যা সাময়িকভাবে শহরের বায়ুর গুণমান সূচককে উন্নত করবে। আকাশ ধূসর ও আশাব্যঞ্জক থাকায়, আইএমডি বৃষ্টিবাহী মেঘের গতিবিধির উপর নজর রাখছে এবং গ্রীষ্মের উত্তাপ থেকে এই বহু-প্রয়োজনীয় বিরতি উপভোগ করার পাশাপাশি সুরক্ষার জন্য পূর্বাভাসিত বজ্রঝড়ের সর্বোচ্চ সময়ে বাসিন্দাদের বাড়ির ভিতরে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
