নামী ব্র্যান্ডের তেল, দামি সিরাম-চুলের যত্নে খরচ কম করছেন না। তবুও চুল পড়ার সমস্যা যেন পিছু ছাড়ছে না। পাশাপাশি মাথার ত্বকে খুশকি, শুষ্কতা ও চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে পড়ার সমস্যাতেও নাজেহাল অবস্থা। চুলের যত্নে উপকারী হতে পারে কিছু বীজ।
কুমড়ো-তিসির বীজ
কুমড়োর বীজে রয়েছে জিঙ্ক ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। অন্যদিকে, তিসিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। নারকেল তেল গরম করে তার মধ্যে তিসি ও কুমড়োর বীজ দিতে পারেন। চাইলে নারকেল তেলের পরিবর্তে অলিভ অয়েল বা বাদামের তেলও ব্যবহার করা যায়। তেল গরম হয়ে গেলে তাতে একমুঠো শুকনো রোজমেরি পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। এর পর তেলটি ৭-৮ ঘণ্টা ঠান্ডা করে ছেঁকে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তিসির হেয়ার মাস্ক
চুলের যত্নে তিসি দিয়ে তৈরি মাস্কও ব্যবহার করা যায়। এক কাপ জলে দুই টেবিল চামচ তিসি দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে ঠান্ডা করুন। এর পর তিসি ছেঁকে নিয়ে মিশ্রণের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে লাগাতে পারেন। প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। পাতলা চুলের ক্ষেত্রে এই মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
মেথির বীজের মাস্ক
জল গরম করে তাতে মেথি, তিসির বীজ ও কারিপাতা দিয়ে ৩০-৪০ মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে নিন। এরপর চুলের গোড়ায় লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলুন।
