April 24, 2026
SIL 1

বর্তমানে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের খাদ্যতালিকায় জায়গা করে নিয়েছে কুমড়োবীজ। তিলের ব্যবহার বহুদিনের হলেও তার পুষ্টিগুণ নিয়ে তেমন আলোচনা ছিল না। তবে পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের পরামর্শে বিভিন্ন বীজ, যেমন তিসি, চিয়া প্রাতরাশের সঙ্গী হয়ে উঠেছে অনেকের।

কিন্তু শুধু বীজ খেলে হবে না, সঠিক উপায়ে খাওয়াই আসল। ভুল পদ্ধতিতে বীজ খেলে তার পুষ্টিগুণ কমে। এমনকি পেটের সমস্যাও দেখা দেয়। পুষ্টিবিদদের মতে, সব বীজের কাজ এক নয়। তিসি, চিয়া, কুমড়োবীজ প্রতিটির পুষ্টিগুণ ও প্রভাব আলাদা। তাই ঝুঁকি এড়াতে কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন?  

অনেকেই সরাসরি তিসির বীজ খেয়ে ফেলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, তিসির শক্ত খোলস হজম করা কঠিন। তাই এটি গুঁড়ো করে খাওয়াই উচিত, তবেই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ফাইবার শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হয়।  

অন্যদিকে, সব বীজ শুকনো খাওয়া নিরাপদ নয়। কুমড়োর বীজ শুকনো খাওয়া গেলেও চিয়া ও তুলসীর বীজ খাওয়ার আগে জলে বা দুধে ভিজিয়ে নিতে হয়। এই বীজগুলো তরল শুষে ফুলে ওঠে, ফলে সহজে হজম হয়। শুকনো অবস্থায় খেলে পেটে গিয়ে জল শোষণ করে ফেঁপে উঠতে পারে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

চিয়া ও তুলসীর বীজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তুলসীর বীজ পেট ঠান্ডা রাখতে ও অম্বল কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে চিয়া বীজ ওমেগা-৩ ও ফাইবারে সমৃদ্ধ, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। তাই এই দুই বীজ পর্যায়ক্রমে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

এছাড়া, বীজকে কম ক্যালোরিযুক্ত বলে ধরে নেওয়াও ভুল। এগুলি পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও ক্যালোরিও যথেষ্ট। প্রতিদিন ১-২ চামচ খাওয়াই যথেষ্ট, এর বেশি হলে পেটের সমস্যা হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *