July 8, 2026
image - 2026-07-08T131914.780

আসাম বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে বন্যা ও নদীভাঙন অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। উজানের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে পানি ছাড়ার ফলে নিম্নাঞ্চলের গ্রামগুলোতে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে বিভিন্ন দলের বিধায়করা উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানান।

প্রশ্নোত্তর পর্বে জবাব দিতে গিয়ে রাজ্যের জলসম্পদমন্ত্রী সুশান্ত বর্গোহাঁই বলেন, বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাস্তবতা মেনে চলতে হলেও নিম্নাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বাঁধ শক্তিশালীকরণ, নদীতীর সংরক্ষণ এবং আধুনিক আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে।

মন্ত্রী জানান, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সুবনশিরি লোয়ার জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে অতিবৃষ্টি ও বন্যার সময় নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙনের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এ কারণে পানি ছাড়ার আগে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও আরও কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

আলোচনায় অংশ নেওয়া একাধিক বিধায়ক সুবনশিরি, রঙ্গানদী, বরাক ও দিসাং নদীর তীরবর্তী এলাকায় অব্যাহত নদীভাঙন, পর্যাপ্ত বাঁধের অভাব, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয় জোরদারের দাবি জানান। আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

জলসম্পদমন্ত্রী জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করা হয়েছে এবং চলতি বন্যা মৌসুম শেষে নতুন সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে। তিনি আশ্বাস দেন, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *