রেল যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বড় সুখবর রেল কতৃপক্ষের তরফে। রেল পরিষেবাকে ভারতের লাইফলাইন বলা হয়ে থাকে। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর শাসনকালে ২০০৮ সালে আগরতলায় প্রথমবারের মত রেল আসে। পরবর্তীতে মৈত্রী সেতু উন্মুক্ত হয়ে গেলেই বাংলাদেশ থেকে প্রচুর সংখ্যক পর্যটক সহ একাধিক লোক আসবে, এতে করে দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সমস্ত দিক দিয়েই এক নতুন পথ উন্মোচন হবে।
সেইসাথে ভারত – বাংলাদেশের মধ্যে রেল লাইনের কাজও শেষ হয়ে গেছে, এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা। রাজধানী আগরতলার মূল রেল স্টেশন থেকে আগরতলা – করিমগঞ্জ মেমো ট্রেন(ইলেকট্রিক) পরিষেবার শুভ উদ্বোধন করে ভাষণ প্রদান-কালে এমনটাই মত ব্যক্ত করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা।
তিনি এও বলেন, এই রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক্টিস্ট পলিসির মধ্য দিয়ে প্রতিনিয়তই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। সর্বমোট ২৬৩ কিলোমিটার ইলেকট্রিক লাইন রেলপথের টানা শেষ হয়ে গেছে। অমৃত ভারত স্টেশনের আওতায় ধর্মনগর কুমারঘাট উদয়পুর রেল স্টেশন কে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা উন্নীত করা হচ্ছে। সেইসাথে আগরতলা রেল স্টেশনকেও প্রায় ৪৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নব রূপে সজ্জিত করার কাজ চলছে।
