November 7, 2026
SIL 2

নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়ে মাংস-ভাতে ঘুমের ওষুধ মেশানো হত। খাবার খেয়ে অচেতন হয়ে পড়লে জোরে টিভি চালিয়ে রেখে হত্যা করা হত। বেঙ্গালুরুর চাঞ্চল্যকর সাত খুনের ঘটনায় তদন্তে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। এই ঘটনায় ট্যাক্সিচালক এস ইন্দুশেখর ও তাঁর নাবালিকা মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তদন্তকারীদের দাবি, প্রায় ১৫ দিন ধরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত সাতজনের মধ্যে তিনজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকি চারজনের খোঁজে ১২টি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। ইন্দুশেখরের স্ত্রী সুনীতা ও শাশুড়ি রূপবতীর দেহ তামিলনাড়ুর সালেমের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছে। এর আগে বেঙ্গালুরুর নন্দন পাহাড়ের কাছ থেকে উদ্ধার হয় সুনীতার সাত বছরের ভাইপোর দেহ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ অক্টোবর প্রথমে সুনীতাকে খুন করা হয়। পরদিন মাংস-ভাত খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে দিদা রূপবতীকে বাড়িতে ডাকে ইন্দুশেখরের মেয়ে। খাবারে ঘুমের ওষুধ মেশানো ছিল বলে অভিযোগ। রূপবতী অচেতন হয়ে পড়লে বাবা-মেয়ে মিলে তাঁকে হত্যা করেন। এরপর জোরে টিভি চালিয়ে রেখে দেহ সরিয়ে ফেলা হয়। একইভাবে দু’দিন পর সুনীতার ভাইপোকেও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সুনীতার দুই দাদা ও তাঁদের স্ত্রীদেরও আলাদা করে নিমন্ত্রণ জানিয়ে হত্যা করা হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। গত বুধবার গাড়িসহ ইন্দুশেখরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং বাকি চারজনের দেহের সন্ধানে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *