বিশ্বকাপের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন লিয়োনেল মেসি। তবে একই দিনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন কিলিয়ান এমবাপেও। নিজের প্রথম ম্যাচেই জোড়া গোল করে দারুণ ছন্দে ছিলেন ফরাসি তারকা। হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলেও একটি বিতর্কিত পেনাল্টি সিদ্ধান্তে থেমে যায় তাঁর সম্ভাব্য তৃতীয় গোলের সুযোগ।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে এক আক্রমণে ডান প্রান্ত ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে। গতি সামলাতে না পেরে তাঁকে থামাতে পিছন থেকে স্লাইডিং ট্যাকল করেন সাদিয়ো মানে। সেই মুহূর্তে এমবাপে মাটিতে পড়ে যান এবং ফ্রান্স শিবির জোরালোভাবে পেনাল্টির দাবি জানায়। প্রথমে রেফারি আলিরেজা ফাঘানি কর্নার দেন, পরে ভিএআর পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে গোল কিক ঘোষণা করেন।
এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে স্টেডিয়ামে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। গ্যালারিতে থাকা বিপুলসংখ্যক সমর্থকও হতবাক হয়ে যান, কারণ রিপ্লেতে অনেকের কাছেই মনে হচ্ছিল স্পষ্টভাবে পেনাল্টির ঘটনা ঘটেছে। তবে রেফারির ব্যাখ্যা ছিল, এমবাপেই নাকি প্রতিপক্ষের পায়ে পা লাগিয়ে পড়ে গিয়েছেন, যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।
বিতর্ক সত্ত্বেও ম্যাচে দারুণ ছন্দে ফিরে আসেন এমবাপে। পরবর্তীতে তিনি আরও দুটি গোল করে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা বাড়ান। এদিকে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলসংখ্যার তালিকায় এখনও এগিয়ে আছেন ব্রাজিলের রোনাল্ডো, আর্জেন্টিনার মেসি ও জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজে। তবে বিতর্কিত সেই পেনাল্টি যদি দেওয়া হত, তবে এমবাপে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি আরও বড় রেকর্ডের দিকে এগিয়ে যেতে পারতেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
