রাজ্যের সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই একাধিক ঘোষণা করা হয় সরকরের তরফে। এবারও করা হলো আরও এক ঘোষণা। রাজ্যের উন্নতিই প্রধান কার্য, এবারও করা হলো আরও এক ঘোষণা। ত্রিপুরা রাজ্যে ৩৫ বছরের শাসনকালে মানুষের মধ্যে একটা স্থিতিশীল চিন্তা কাজ করে আসছে যে, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভাল নয়, এখানে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই।
কথায় কথায় বাইরে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। অথচ এই রাজ্যেই প্রায় সবধরনের চিকিৎসা হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে বহিঃরাজ্যে রেফারেরও প্রবণতাও ৮০% কমে গিয়েছে। ত্রিপুরার সরকারী হাসপাতালে এখন সফলতার সাথে কিডনির ট্রান্স-প্ল্যান্টও হয়, আগামী-দিনে হার্ট, লিভার সহ সমস্ত অর্গান ট্রান্স প্ল্যান্টের প্রস্তুতি চলছে।
রাজধানী আগরতলার জেকশন গেইট এলাকায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক পেপার-লেস ২০.৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী আগরতলা সিভিল হাসপাতালের উদ্বোধনী পর্বশেষে ভাষণ প্রদান-কালে এমনটাই মত ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা। তিনি এও বলেন, রাজ্যে বর্তমানে যে ক’টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে তার পাশাপাশি নবরূপে শুরু হতে যাচ্ছে হোমিওপ্যাথিক ও আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। লক্ষ্য একটাই ত্রিপুরা রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষকে সুচিকিৎসা পরিষেবা প্রদান করা।
