একাধিকবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও, মানা হয়নি নিয়ম। তাই এবার কড়া নির্দেশ দিলো রাজ্য সরকার। ত্রিপুরা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পূর্বের তুলনায় অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। রাজ্যে বর্তমানে একাধিক মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। নতুন সংযোজন হতে চলছে আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ।
বিধানসভায় মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির প্রস্তাবও পাশ করা হয়েছে। সেইসাথে আসন সংখ্যাও বর্তমানে এমবিবিএস ও পিজি মিলে প্রায় ৭০০ এর বেশী। সেইসাথে জিবিপি হাসপাতাল, ধলাই-জেলা হাসপাতাল, আই জিএম হাসপাতাল শিশু বিভাগের ক্ষেত্রে লাভ করেছে মুসকান সার্টিফিকেট।
বর্তমান সময়ে বহিরাজ্যে গিয়ে সরকারীভাবে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণ (রেফার) ৮০% কমে গেছে। রাজ্য সরকার চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংস্থার সাথে বার্তালাপ শেষে রাজ্য মন্ত্রীসভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, মেডিক্যাল অফিসাররা আর প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারবেন না। জেলায় প্রায় ৬৫ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ২০ টি প্রকল্পের ভার্চুয়েলি শুভ উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদান-কালে এমনটাই মত ব্যক্ত করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা।
