April 29, 2026
SIL 1

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বা পিসিওএসের সমস্যায় ভোগেন অনেক মহিলাই। এই অসুখে, শরীরে হরমোনের তারতম্য ঘটে। ফলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। অনিয়মিত ঋতুস্রাব, ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট এমনকি সমস্যা জটিল হলে  বন্ধ্যাত্বও হতে পারে।

পিসিওএসকে জব্দ করার একমাত্র উপায় সুস্থ ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা, মানসিক চাপমুক্ত থাকা।

কিন্তু ১০-১২ ঘণ্টার কর্পোরেট অফিসের চাপে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন দুষ্কর হয়ে পড়ে। কাজের চাপে সময়মতো খাওয়াও হয় না। দৈনন্দিন এই রুটিন বদলানোর নয়। তবে সুস্থ থাকাও জরুরি। কীভাবে পিসিওএসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কর্মরতা মহিলারা?

১) রক্তে শর্করার ভারসাম্য রক্ষা

পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তাই অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। দুপুরের খাবার বা বিকেলের স্ন্যাক্স, যাই খান না কেন, তাতে যেন ফাইবার, প্রোটিন ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটের সঠিক ভারসাম্য থাকে। স্ন্যাক্স হিসেবে মাখানা, বাদাম বা বিভিন্ন বীজ খাওয়া যেতে পারে। খাবারে পর্যাপ্ত ফাইবার থাকা জরুরি, কারণ ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

২) সুবিধানুযায়ী শরীরচর্চা

পিসিওএস থাকলে নিয়মিত শরীরচর্চা দরকার। সারাদিনের ব্যস্ততার পর এক ঘণ্টা ব্যায়াম করা সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে। তাই দিনের মধ্যে সুবিধামতো সময়ে ১৫-২০ মিনিট ব্যায়াম করলেও উপকার পাওয়া যায়।

৩) মানসিক চাপ

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম করার পরেও দীর্ঘদিন মানসিক চাপ থাকলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কাজের চাপ, ডেডলাইন ইত্যাদি কারণে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়, যা শরীরের অন্যান্য হরমোনেও প্রভাব ফেলে। তাই মানসিক চাপ কমাতে পর্যাপ্ত ঘুম খুবই জরুরি। পাশাপাশি প্রাণায়াম ও যোগব্যায়াম মন শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *