সাত মাস আগে কোয়ম্বত্তূরের একটি মাঠে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন রিতিকা শ্রী। মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। কিন্তু সেই ঘটনাই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এখন তিনি দেশের প্রথম রূপান্তরিত আম্পায়ার হিসেবে পরিচিত।
গত সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনাটি ছিল রূপান্তরের পর রিতিকার প্রথম ম্যাচে দায়িত্ব নেওয়ার দিন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রথমে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে মাঠে ঢুকতে দেননি এবং তাড়া করে বের করে দেন। পরে বহু জায়গায় যোগাযোগের পর তিনি মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। সেই মুহূর্তের নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি রিতিকা। অঝোরে কেঁদেছিলেন। কিন্তু দমবার পাত্রী তিনি নন। বরং সেই অপমানই তাঁকে আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ করে তোলে।
২০১৯ সালে মোহালিতে একটি আইপিএল ম্যাচ দেখতে গিয়ে আম্পায়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। তখন তাঁর নাম ছিল মুথুরাজ। ২০২০ সালের লকডাউনে চাকরি হারানোর পর তামিলনাড়ুর সালেমে গিয়ে পুরো সময়ের জন্য আম্পায়ারিং শুরু করেন। সালেম ক্রিকেট সংস্থা তাঁর পাশে দাঁড়ায়। সালেম ও নামাক্কালে প্রায় ৩০০টি স্থানীয় ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি।
বর্তমানে মাঠে কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা হয়নি রিতিকার। তাঁর কথায়, “মাঠে আমার সঠিক সিদ্ধান্তই আমাকে গ্রহণযোগ্যতা এনে দিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ আমাকে একজন সাধারণ আম্পায়ার হিসেবেই দেখেন।”
